তিনি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে দ্বীনের দা’ওয়াত দিয়েছেন। তীব্র শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা উপেক্ষা করে মাহফিলে মাহফিলে রাতের পর রাত কাটানোর ফলে, অনিদ্রা, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ ও বিশ্রামের অভাবে তিনি বহু মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সীমাহীন কষ্টসহিষ্ণু মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার রহ এসব হাসিমুখে বরণ করে নিয়েছিলেন বলেই জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাবলীগে দ্বীনের কাজ করে গেছেন অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে। তাঁর এই দীনি তাবলীগ শুধু স্বদেশে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং ‘বায়তুশ শরফ আন্জুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ’-এর মসজিদভিত্তিক মানবকল্যাণমূলক সংগঠনের শাখা-প্রশাখা এবং কার্যক্রম মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। কাদেরীয়া তরিকার আধ্যাত্মিক শিক্ষা ও দ্বীনি তাবলীগের জন্য তিনি সশরীরে সে সব দেশে সফর করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে প্রচার করেছেন ইসলামের অমীয় বাণী।
-ড. মাওলানা মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
প্রভাষক, দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, চন্দনপুরা, চট্টগ্রাম।
Leave a Reply