হজপূর্ব হুযুর কেবলার নসিহত

৯ জুলাই ১৯৮৯ (বৃহস্পতিবার), বাদে মাগরিব, চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ মসজিদে প্রদত্ত ভাষণ

যেহেতু আমাদের হজের সফর অতিসন্নিকটে, তাই এ সময়ে দুয়েকটা কথা বলতে হচ্ছে। হজের সফর অত্যন্ত কষ্টকর। যেহেতু কষ্ট বেশি তাই এর ফযিলতও বেশি। হুযুর পবিত্র মক্কা থেকে ১৩ মনযিল করে ১৩ দিনে মদীনা শরীফ পৌঁছেছেন। অবশ্য এখন এটি ছয়-সাত ঘণ্টার পথ। হায়াত-মওতের মালিক আল্লাহ। কেউ বলতে পারে না আবার ফিরে আসতে পারব কিনা।

শ্রদ্ধেয় পীর সাহেব কেবলা শরীয়ত ও তরীকত একে অপরের সাথে যে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, একটা ছাড়া অপরটা যে আদৌ সম্ভব নয় এ প্রসঙ্গে বলেন,طریقت خادم شریعت است )তরীকত খাদেমে শরীয়ত আস্ত) অর্থাৎ তরীকত হচ্ছে শরীয়তের খাদেম। আদব আখলাকের শিক্ষা হচ্ছে তরীকতের অন্যতম দিক। সে জন্য বলা হয়েছে,

الطَّرِيقُ كُلُّهُ أَدَبٌ.

‘তরীকতের সার্বিক দিকই হচ্ছে আদব।’

দেখা যায় যে, অনেক বেপরোয়া লোক যারা দীন-ধর্মের তেমন একটা ধার ধারে না, তারা পীর-মুরশিদের হাতে বায়আত গ্রহণ করে একেকজন খাঁটি মুমিনে পরিণত হয়েছে। পীর-মাশায়েখের ইতিহাস আলোচনা করলে এর নজির আমরা ভুরি ভুরি দেখতে পাই। এমনকি বড় বড় চোর-ডাকাতের মধ্যেও অমূল পরিবর্তন এসেছে। সেজন্য আল্লাহর রাসুল এ ইরশাদ ফরমায়েছেন,

عَلَيْكُمْ بِمَجَالَسَةِ الْعُلَمَاءِ، وَاسْتِمَاعِ كَلَامِ الْحُكَمَاءِ».

‘তোমাদের উচিত শরীয়তপন্থি আলেমদের মজলিসে বসা এবং তরীকতপন্থি পীর-মাশায়েখদের কথা শ্রবণ করা।”

উক্ত হাদীসের মাধ্যমে আমাদের কাছে একথা সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, রাসুল পাক হুকুম (পীর-মাশায়েখের) কথা শোনার জন্যে সবাইকে নির্দেশ প্রদান করেছেন এজন্য যে, তারা সবকিছুর ভেতর ও বাইর উভয়টা সম্পর্কে সম্যক অবগত। রাসুল পাক পবিত্র হাদীসে আরও ইরশাদ ফরমায়েছেন,

لِكُلِّ آيَةٍ ظَهْرُ وَبَطْنُ».

‘প্রত্যেক আয়াতের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীন দুটো দিক রয়েছে।’২

যেমন বাদামের খোসার ভেতর লুক্কায়িত আছে বাদামের মূল অংশ অর্থাৎ মগজ। যেমন কলার খোসার মধ্যে লুক্কায়িত আছে এর মূল জিনিসটি। অতএব শরীয়ত ও তরীকত খোসা ও মগজের মতো, একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যে তরীকত শরীয়তভিত্তিক নয় তা হচ্ছে খোসাবিহীন কলাতুল্য। প্রকৃতপক্ষে এর কোনো মূল্য নেই, কেউ এটা খরিদ করে না। সে পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যায় যে, হযরত বড়পীর সাহেব কেবলা সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন,

وَكُلُّ وَلِيٌّ لَّهُ قَدَمٌ وَإِنِّي * عَلَى قَدَمِ النَّبِيِّ بَدَرِ الْكَمَالِ

‘প্রত্যেক অলী কোনো না কোনো নবীর পথ অনুসরণ করে চলেছেন, আমি (আবদুল কাদের জিলানী) সাইয়েদুল আম্বিয়ার কদম ব-কদম

চলছি।’

আমার পীর সাহেব কেবলা কাউকেও শরীয়তের বিরোধিতা করতে দেখলে আগুনের মতো রাগান্বিত হয়ে যেতেন। তিনি আরও বলতেন, ‘কোনো তরীকতপন্থি যদি তরীকতের তসবীহ মনোযোগ সহকারে আদায় করে অথচ আল্লাহর ফরজগুলো যথারীতি ধীরস্থিরভাবে আদায় না করে, অবহেলা করে, এ রকম তসবীহ পাঠকের প্রতি আমি ঝাড় নিক্ষেপ করি।’ অবশ্য একথা তিনি তসবীহর প্রতি অবজ্ঞা করে বলেননি, বরং তসবীহ অবশ্যই আদবের সাথে আদায় করবে, সাথে সাথে আল্লাহর ফরজ ইবাদতসমূহের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করবে। কেননা হুযুর পবিত্র হাদীসে ইরশাদ ফরমায়েছেন,

أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ».

‘তোমরা এমনভাবে আল্লাহর বন্দেগি কর মনে হয় যেন তুমি আল্লাহকে দেখেছ, যদি তুমি তাকে দেখার সেই পর্যায়ে পৌঁছতে না পার তাহলে একথা মনে কর যে, তিনি তোমাকে দেখছেন।”

তিনি আরও ইরশাদ করেছেন,

لَا صَلَاةَ إِلَّا بِحُضُورِ الْقَلْبِ».

‘একান্তভাবে হৃদয় মন লাগিয়ে নামাজ না পড়লে আল্লাহর দরবারে কোন নামাজই গ্রহণীয় হবে না।’

পবিত্র কুরআনে পাকে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,

قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَشِعُونَ لَي

‘সে সকল মুমিন কৃতকার্য যাঁরা তাঁদের নামাজের মাধ্যমে আমাকে একান্তভাবে ভয় করে।’২

ইমাম রব্বানি মুজাদ্দিদে আলফে সানী বলেছেন, ‘যদি তোমরা একাকী নামাজ পড় তা হলে নামাজকে একটু লম্বা করে পড় এবং রুকু-সেজদায় তাসবীহ বেশি করে পড়। যেহেতু তুমি এখন আহকামুল হাকিমীন রব্বুল আলামীনের দরবারে আছ।’

তাড়াহুড়া করে নামাজ পড়া হচ্ছে মুনাফিকের নামাজ। এমনভাবে নামাজ পড়তে হবে যেন তুমি শান্ত-শিষ্টভাবে রুকু-সেজদা আদায় করতে পার। পীর মুরশিদরা যে তসবীহ পড়ার কথা বলেন, তা হচ্ছে মানুষের অস্থিরতা দূরিভূত করার জন্য, প্রকৃতপক্ষে তরীকত হচ্ছে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প।

শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা নামাজের গুরুত্ব প্রসঙ্গে মনোজ্ঞ উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘যদি তোমাকে কেউ বলেন, তুমি আবদুল্লাহকে একটু ডেকে নিয়ে আস। ওই ব্যক্তি যদি আবদুল্লাহর ফটোটা নিয়ে আসে এর মাধ্যমে কি সে ব্যক্তি সন্তুষ্ট হবে? কখনও না। এজন্য যে, সে ফটোর মধ্যে প্রাণ নেই। তেমনি

নামাজের রুহ হচ্ছে, حضور قلب অর্থাৎ অত্যন্ত একাগ্রতার সাথে নামাজ আদায়।
অতএব আমাদের উচিত একান্ত একাগ্রতার সাথে নামাজ আদায় করা।

বন্য হরিণ ও বন্য হাতি যদি লালন-পালন করার কারণে মুনিবের পোষ মানে এবং মুনিবের ঘর ছেড়ে কোথাও না যায়, তাহলে আমরা কেন স্বীয় প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না? আমরা কি পশুর চেয়েও অধম হয়ে গিয়েছি? প্রকৃতপক্ষে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর দর্শন ও মিলন লাভ হয়। তাই ত কবি বলেন,

ملتا ہے کیا نماز میں سجدہ میں جاکے دیکھ لے ہو گا خدا کے سامنے سر کو جھکا کے دیکھ لے

‘নামাজের মধ্যে কি পাওয়া যায় তা সেজদার মধ্যে গিয়ে দেখ।

আল্লাহর সামনে মাথা ঝুকিয়ে দেখ।’

আল্লামা শামসে তাবরীযী ফরমায়েছেন, ‘আল্লাহর সাথে যদি কথা বলতে চাও তাহলে দিল মন হাজির করে নামাজ পড়।’

শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা যিকিরের ফযিলতের প্রসঙ্গ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, যিকিরের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর জাতকে সন্তুষ্ট করা। পবিত্র হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ পাক ইরশাদ ফরমায়েছেন,

أَنَا جَلِيْسُ مَنْ ذَكَرَنِي».

‘যে বান্দা আমার যিকির করবে আমি তার সাথী হয়ে যাই।” সুবহানাল্লাহ! সেজন্য বলা হয়েছে,

ذکر جو زبان سے نکلتی ہے سر کی کان تک ذکر جو دل سے نکلتی ہے وہ عرش رحمن تک

‘যিকির যা মুখ থেকে বের হয় তা মাথার কান বরাবর থাকে এবং যিকির যা অন্তর থেকে বের হয় তা আরশে আযীম পর্যন্ত পৌঁছে যায়।’

প্রকৃতপক্ষে দিল এবং যবান দ্বারা যিকির করলে সে বান্দার যিকিরের

উত্তরে আল্লাহ পাক বলেন, بَيَّنُ عَبْدِي )হে আমার বান্দা! তোমার এ ডাকে আমি সাড়া দিচ্ছি)। বান্দা যখন চোখের পানি বের করে ডাক দেয়, إِلَهِي أَنتَ مَقْصُوْدِي وَرِضَاكَ مَطْلُوْنِي، تَرَكْتُ الدُّنْيَا وَمَا فِيْهَا .

‘হে বারে এলাহী! আপনিই একমাত্র আমার উদ্দেশ্য, আপনার সন্তুষ্টি একমাত্র আমার কামনা। পৃথিবী এবং পার্থিব সব আরাম-আয়েশ একমাত্র তোমারই সন্তুষ্টির জন্য আমি ত্যাগ করেছি।’

তখন আল্লাহ সে বান্দার ডাকে সাড়া না দিয়ে পারেন না। মজনু যদি লায়লীর দুনিয়াবি প্রেমে পড়ে স্বীয় সত্তাকে বিলীন করে দিতে পারে তা হলে আমরা বিশ্ব প্রভু আহকমুল হাকিমীনের প্রেমে কেন নিজকে বিলীন করে দিতে পারব না? দার্শনিক মাওলানা রুমী কতইনা সুন্দর কথা বলেছেন,

رو تو زنگار از رخ او پاک کن و بعد آزاں نور را ادراک کن

‘লা ইলাহ ইল্লাল্লাহ মাল্গুল দিয়ে অন্তরের মরীচা পবিত্র করো, এরপর আল্লাহর রহমতের আলো তুমি দেখতে পাবে।’

হযরত আলী ফরমায়েছেন,

رَأَيْتُ اللَّهَ فِي قَلْبِي.

‘আমি আমার অন্তরের মধ্যে আল্লাহ তাআলাকে দেখতে পেয়েছি।’ সাইয়েদুত তায়েফা হযরত জুনাইদ বাগদাদী ফরমায়েছেন,

الْقَلْبُ مِرْأَةُ الرَّبِّ.

‘কলব হচ্ছে আল্লাহ দর্শনের আয়না।’

শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা তরীকতপন্থি ভাইদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিশেষভাবে কষ্ট করার উপদেশ দিয়ে বলেন, সমুদ্রের মধ্যে ডুবুরীরা মণি-মুক্তা বের করার জন্য সমুদ্রের জীব-জন্তুকে ভয় না করে মুক্তা তালাস করতে থাকে, যদি সে জীব-জন্তুর ভয় করে এগুলো তালাস থেকে বিরত থাকে তা হলে কোনো দিন সে মুক্তা লাভ করতে পারবে না। তেমনিভাবে যিকির, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি একান্ত কষ্টের কাজ। এ বলে যদি এগুলোকে বাদ দেওয়া হয় তা হলে মহান রব্বুল আলামীনের রেজামন্দি হাসিল আদৌ সম্ভবপর নয়।

পীর-মশায়েখরা হচ্ছেন রুহানি ডাক্তার। যেমন শারীরিক রোগ হলে ডাক্তারের প্রয়োজন হয় তেমনি ঈমানি রোগ হলে পীর-মাশায়েখের প্রয়োজন হয়। মানুষের নফস চায় না ভালো কাজে লিপ্ত হতে কিন্তু যদি নফসকে পোষ মানানো সম্ভব হয়, যেভাবে পুরাতন হাতির মাধ্যমে নতুন হাতিকে পোষ মানানো হয়, তাহলে এমনিভাবে নফস ও অনুগত হয়ে যায়। এটি পীর-মাশায়েখের হাতে বায়আতের মাধ্যমে অতিদ্রুত ফলপ্রসু হয়। শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা তরীকতের সব ভাইকে পারষ্পরিক সব ভেদা-ভেদ ভুলে গিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরীকতের কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে দার্শনিক আল্লামা ইকবালের একটি কবিতা আবৃত্তি করে বলেন,

ایک ہی صف میں کھڑے ہو گئے محمود و ایاز نہ کوئی بندہ رہا ور نہ کوئی بندہ نواز

‘সম্রাট সুলতান মাহমুদ গজনবী এবং তার ভৃত্য আয়ায একই সারিতে (নামাজে) দাঁড়িয়েছেন। তাদের পরস্পরের কোনো ভেদাভেদ নেই।’

তদ্রূপ আমাদের তরীকতপন্থি ভাইদের মধ্যেও ধনী-গরিব ইত্যাদি কোনো

পার্থক্য নেই। সবাই তরীকতের ভাই হিসেবে একই শ্রেণির।

শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা মানুষের মধ্যে যে কতগুলো বিশেষ ধরনের দোষ রয়েছে, যেগুলো মানুষকে খোদা পর্যন্ত পৌঁছার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে, পবিত্র হাদীসের বাণী উল্লেখ করে সেগুলো পরিহার করার উপদেশ দিয়ে বলেন, পবিত্র হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,

وَلَا تَجَسَّسُوْا، وَلَا تَنَاجَشُوْا، وَلَا تَحَاسَدُوْا، وَلَا تَبَاغَضُوْا، وَلَا تَدَابَرُوا وَكُوْنُوْا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا».

‘তোমরা পরস্পর গোয়েন্দাগিরি করো না, একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব ও উচ্চ মর্যাদার সন্ধান করো না, একে অপরের সাথে হাছদ করো না, পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা রেখ না, আর পরোক্ষ নিন্দাবাদে একে অপরের পেছনে লেগ না, তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে থেক।”

পবিত্র হাদীসে আরও ইরশাদ হয়েছে,

الْحَسَدُ يَأْكُلُ الْحَسَنَاتِ، كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ».

“হিংসা সওয়াবসমূহকে এমনভাবে নষ্ট করে দেয় যেমন আগুন লাকড়িকে ভষ্মিভূত করে দেয়।

অন্যত্র বর্ণিত আছে,

الْغِيْبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزَّنَا».

‘গীবত হচ্ছে যিনা থেকেও মারাত্মক।’২

পরিশেষে শ্রদ্ধেয় হুযুর কেবলা তরীকতপন্থি ভাইদের প্রতি বিশেষ উপদেশ প্রদান করে বলেন, তরীকতের মধ্যে যারা পুরাতন তারা নতুনদেরকে স্নেহ করবেন, যেহেতু এরা তরীকতের দিক দিয়ে আপনাদের ছোট ভাই। নতুনরা পুরাতনদেরকে শ্রদ্ধা করবেন। এজন্য যে, এরা তরীকতের দিক দিয়ে আপনাদের বড় ভাই। আমি যদিও পবিত্র হজ পালনার্থে মক্কা ও মদীনা শরীফ যাচ্ছি, কিন্তু আমার রুহ বায়তুশ শরফের সাথে সংযুক্ত রয়েছে।

আপনারা আমি থাকা অবস্থায় যেমন বায়তুশ শরফে আসা-যাওয়া করতেন, তেমনি আমার অবর্তমানেও আসা-যাওয়া করবেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখবেন, প্রত্যেক দিন বাদে আসর চট্টগ্রাম মসজিদ বায়তুশ শরফে তরীকতের বিভিন্ন দিক নিয়ে ইমাম সাহেব আলোচনা করবেন। সে আলোচনায় আপনারা যথাসম্ভব শরিক থাকতে চেষ্টা করবেন। শ্রদ্ধেয় হযরত কেবলার ও আমার লিখিত বইগুলো পড়তে চেষ্টা করবেন। এতে আমার মন খুশি হবে, আপনারা দোয়া পাবেন। রীতিমত আপনারা আনজুমনে ইত্তেহাদের মাসিক চাঁদা আদায় করবেন। প্রতেকে তরীকতপন্থি ভাইদের এটি নৈতিক দায়িত্ব।

গ্রন্থনায়: মাওলানা আবুল হায়াত মুহাম্মদ তারেক


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *