ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদত্ত সভাপতির ভাষণ

২৬ এপ্রিল ১৯৮১ বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিনার সুদবিহীন ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর হুযুর কেবলার প্রদত্ত ভাষণ। সম্পাদক

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

نَحْمَدُهُ وَنُصَلِّي عَلَى رَسُوْلِهِ الْكَرِيمِ، أَمَّا بَعْدُ!

সম্মানিত প্রধান অতিথি, মুহতরম ওলামায়ে কেরাম, উপস্থিত সম্মানিত শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সুধীবৃন্দ। আজকের এই মহতি অনুষ্ঠানের আপনারা অনেক কষ্ট করে সময় ও অর্থের কুরবানি দিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। এজন্য আপনাদের প্রতি আন্তরিক সালাম ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। অসীম দয়ালু মেহেরবান আল্লাহ আপনাদের সবার উপস্থিতিকে কবুল করুন। আমীন।

সমাগত অতিথিবৃন্দ!

আপনাদের অবশ্যই জানা আছে যে, আজকের এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এবং এর মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে সুদবিহীন ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে। তাই প্রথমে আমি এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে, লক্ষ্য ও এই সেমিনার অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে সম্পর্কে কিছু কথা রাখতে চাই।

আপনারা জানেন যে, ইসলামের অপরাপর ধর্মের ন্যায় কোনো পূজা-পাঠ বা নিছক অনুষ্ঠানসর্বস্ব ধর্ম নয়। কুরআন মজীদের ইরশাদ মোতাবেক,

الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَاتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًانَ

‘আজকের দিনে আমি তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্মকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নেয়ামতকে সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলামকে মনোনীত করলাম।

অন্যত্র আল্লাহ তাআলা বলেন,

إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ .

‘নিশ্চয় আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দীন হচ্ছে ইসলাম।’২

বস্তুত মানবজীবনের ইহকালীন সুখ সমৃদ্ধি এবং পরকালীন মুক্তি ও শান্তির একমাত্র পথ হচ্ছে ইসলামের প্রদর্শিত পথ সিরাতুল মুস্তাকীম! মানব-জাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকে খোদা প্রদত্ত এই জীবনব্যবস্থা অনুযায়ী দুনিয়াবাসীকে পরিচালনা করার জন্য যুগে যুগে আগমন করেছেন আল্লাহর মনোনীত বান্দা নবী-রাসুল । এই ক্রমধারার সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় নবী দুনিয়া ও আখেরাতের কাণ্ডারী বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ। তিনি আল-কুরআনের শিক্ষা ও নিজের জীবনে তার বাস্তব আদর্শ স্থাপনের মাধ্যমে আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র তথা জীবনের প্রতিটি দিক-বিভাগ ও ক্ষেত্রের জন্য সুন্দরতম ও সর্বোত্তম আদর্শ স্থাপন করে গেছেন।

হযরত নবী করীম-এর পর আল্লাহর দীনের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার প্রধান দায়িত্ব ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া (নবীগণের ওয়ারিস) আলেম সমাজের। পূর্ববর্তী মুহাদ্দিস, মুফাসসির, ইমাম, সুফিয়ায়ে কেরাম ও মুজাহিদগণ এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছিলেন বলেই ১৪০০ বছর পরও আমরা নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দেওয়ার সুযোগ লাভ করছি। তাঁরা প্রত্যেক যুগেই সমসাময়িক বিশ্বের জটিল সমস্যাবলির সমাধান পেশ করেছেন এবং বাতিল দর্শনের মোকাবিলা করেছেন।

এই সূত্রে ফিকহের ইমামগণ ইসলামী আইন শাস্ত্র প্রণয়ন করেছেন এবং ইমাম রাযী ও গাযালী এ প্রমুখ দার্শনিকগণ গ্রিকদর্শন ও নাস্তিক্যবাদের মোকাবেলায় কালাম শাস্ত্রের প্রবর্তন করেছিলেন। বিশেষত আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশীদ ও মামুনুর রশীদের আমলে বাগদাদের দারুল হিকমা বিজ্ঞান গবেষণাগারকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিজ্ঞানীগণ চিকিৎসা, জ্যোতিষ, ভূগোল, জ্যামিতি, গণিত প্রভৃতি বিষয়ে গবেষণা ও আবিষ্কারের যে ধারা শুরু করেন, পরবর্তীতে তারই কল্যাণে পাশ্চাত্য জগৎ সভ্যতার দাবিদার সেজেছে। দুর্ভাগ্যবশত হালাকু খান কর্তৃক বাগদাদ আক্রমণের পর থেকে বিজ্ঞান ও আবিষ্কারের এই চাবিকাঠি মুসলমানদের হাতছাড়া হয়ে যায়।

আরও পরবর্তী সময়ে গোটা মুসলিম বিশ্ব যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের গোলামিতে বন্দি হয়ে পড়ে, তখন দীর্ঘকাল পর্যন্ত পরাধীনতার অভিশাপে মুসলমানদের চলা-বলা, চিন্তাধারা, সমাজব্যবস্থা, শিক্ষাসংস্কৃতি, বিচার-প্রশাসন প্রভৃতিকে বিজাতীয় সংস্কৃতি, মতাদর্শ ও চরিত্র এমনভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলে যে, তারা ইসলামের আদর্শ তথা কুরআন ও হাদীসের শিক্ষাকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মানসিকতা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলে। এরই ফলশ্রুতিতে মুসলমানরা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, শিক্ষা, সংস্কৃতি বিজ্ঞান, যুদ্ধ প্রভৃতির কেন্দ্রভূমি মসজিদকে ছেড়ে দিয়েছে। অবশেষে মসজিদ সমাজ পরিচালনার ঐতিহ্য ও যোগ্যতা হারিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিক নামাজ ও ইবাদতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে!

এমনকি মসজিদকে একই সাথে নামাজ ও সমাজ, যিকির ও ফিকির বা চিন্তা-গবেষণার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হলে ভালো ভালো দীনদার লোকেরা পর্যন্ত একে দুনিয়াদারি বা ইসলামবহির্ভুত জিনিস বলে ভাবতে শুরু করেন। বায়তুশ শরফের মতো একটি দরবারের মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সুদবিহীন ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, তাও আমার মতো তরীকতের খেদমতে নিয়োজিত আলেমের প্রচেষ্টায়, অনেকেই যেন মনে-প্রাণে মেনে নিতে পারছেন না। আসলে আমাদের এই মানসিকতা দীর্ঘদিন ব্রিটিশের গোলামিতে থাকার কারণে এবং কুরআন-হাদীস সম্পর্কে গভীর জ্ঞান না থাকার কারণেই সৃষ্টি হয়েছে।

আপনারা চোখ খুলে বর্তমান দুনিয়ার পরিবেশ ও পরিস্থিতির দিকে দেখুন। অতঃপর পবিত্র কুরআন ও হাদীসকে গভীরভাবে তিলাওয়াত ও অধ্যয়ন করুন। তখনই আপনারা মনের এবং বর্তমান যুগের সব সমস্যা ও চাহিদার জবাব পেয়ে যাবেন। অতীতের ন্যায় আজকের দুনিয়ায় বিভিন্ন ধরনের জটিল সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত অর্থব্যবস্থাকে নিয়ে গোটা দুনিয়া দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্র। এই অর্থব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে একদিকে মানব-জাতিকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক গোলামিতে বন্দি করে শোষণ করে চলেছে। অন্যদিকে বস্তুবাদী জীবনদর্শন ও নীতিহীন প্রযুক্তির প্রভাবে বিশ্বব্যাপী অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও মানব-সভ্যতা ধ্বংসের আয়োজন চলছে। এর মোকাবিলায় একমাত্র সত্যধর্ম ও মানব-জীবনের সুন্দরতম আদর্শ ও নীতিমালা হিসেবে বলিষ্ঠ যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরা, বস্তুবাদের মোকাবিলায় রুহানিয়ত বা আধ্যাত্মিক ভাবধারার বিকাশ ঘটানো, কুরআন-হাদীসের আলোকে মানব-জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেশ, সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও ব্যক্তিমালিকানাহীন, সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থার মোকাবিলায় যাকাতভিত্তিক ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা প্রবর্তন, ক্লাবভিত্তিক বর্তমান সমাজ কাঠামোকে ভেঙে দিয়ে মসজিদভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করাই সর্বোত্তম ও প্রধান জিহাদ বলে বিবেচিত। এই উপলব্ধির তীব্র তাড়নায় নিম্নোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আল্লাহর ওপর ভরসা করেই ২৮ ডিসেম্বর’৮০ ঈসায়ী আমরা বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাজ শুরু করেছি।

এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

১. কুরআন ও হাদীসের আলোকে বর্তমান যুগের সমস্যাবলির সমাধান পেশ করা এবং এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী ইমামগণের গবেষণার ফসলকে মাতৃভাষা বাংলায় পরিবেশন করা।

২. অন্যান্য বাতিল ধর্ম ও মতাদর্শের মোকাবিলায় ইসলামকে একমাত্র দীন ও পূর্ণাঙ্গ জীবনাদর্শ হিসেবে তুলে ধরা।

৩. প্রচলিত শিক্ষা-ব্যবস্থা ও বিজ্ঞান প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়কে ইসলামের আদর্শ ও নীতিমালা অনুযায়ী সাজানো এবং আধুনিক আরবি ভাষা শিক্ষাসহ মাদরাসা শিক্ষা পুনর্বিন্যাসের ব্যবস্থা গ্রহণ।

এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আজকের সুদবিহীন ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা সম্পর্কে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আপনারা একটু লক্ষ করুন আজকের আলোচ্য বিষয়টির প্রতি এবং কুরআন ও হাদীসে আল্লাহ ও রাসুল-এর নির্দেশের প্রতি। আল্লাহ পাক কুরআন মজীদে সুদকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হারাম ঘোষণা করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত সুদখোরদের প্রতি যুদ্ধ ঘোষণা করে বলেছেন,

يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبوا إِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِينَ فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا

فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ) ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের বকেয়া অংশ পরিত্যাগ করো যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক। এরপরও যদি এ হুকুম কার্যকরী না করো তবে আল্লাহ ও রাসুল-এর পক্ষ থেকে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও।’১

এত কঠোর হুশিয়ারি সুদ ছাড়া আর কোনো বিষয়ে আল্লাহ পাক ঘোষণা করেননি। হযরত রাসুলুল্লাহ ইরশাদ করেন,

عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «لَعَنَ رَسُوْلُ اللَّهِ ﷺ آكِلَ الرِّبَا، وَمُؤْكِلَهُ، وَكَاتِبَهُ،

وَشَاهِدَيْهِ»، وَقَالَ: «هُمْ سَوَاءٌ».

‘হযরত জাবির এ হতে বর্ণিত, হযরত রাসুলুল্লাহ সুদগ্রহিতা, সুদদাতা, সুদের হিসাব রক্ষক, উপস্থিত সাক্ষীদ্বয় সবার প্রতি লানত-অভিশম্পাত করেছেন এবং আরও বলেছেন, ‘তারা সবাই সুদের গোনাহে এক সমান।”২

চিন্তা করে দেখুন, কুরআন ও হাদীসের এই নির্দেশ মোতাবেক বর্তমানে শতকরা ১০০জন লোক সুদে লিপ্ত। ব্যাংকের মালিক, মিল-কারখানার মালিক, ব্যাংক কর্মচারী, ব্যাংকে টাকা জামানতকারী প্রত্যেকেই এই হারামে এবং আল্লাহর রোষানলে পতিত, কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এই জঘন্য পাপ সম্পর্কে আমাদের কারও কোনো চেতনা নেই, এই সুদি কারবার ও লেনদেনের চক্রে আমরাও সমানভাবে জড়িত। আমার শরীরের কাপড় যে ফ্যাক্টরিতে তৈরি হচ্ছে, তাতেও সুদের টাকা নিয়ে ব্যবসা চলছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আজকের ওলামায়ে কেরাম এই বিষয়টি নিয়ে সামগ্রিকভাবে কোনো চিন্তা গবেষণা করছেন না। অথচ এরই প্রভাবে আমাদের ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া-মুনাজাত আল্লাহর আরশ পর্যন্ত পৌঁছতে পারছে না। কারণ ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার জন্য প্রধান ও পূর্বশর্ত হচ্ছে হালাল জীবিকা।

তাছাড়া এই সুব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজের মুষ্টিমেয় লোক সম্পদের পাহাড় গড়ছে, অন্যদিকে গরিব আরও গরিব হচ্ছে। বর্তমানে তৃতীয় বিশ্ব বা তিন নম্বর দুনিয়া বলতে যাকে বোঝায়, সেই গরিব অনুন্নত দেশের জনসাধারণ সুদের অঙ্ক পূরণ করতে গিয়ে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক গোলামে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে পুঁজিবাদের প্রতিক্রিয়ায় শ্রেণিসংগ্রামের ফলে প্রতিষ্ঠিত সমাজতন্ত্র আরও জঘণ্যভাবে মানুষের মুখের গ্রাসটি পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করছে, মানুষকে রাজনৈতিক গোলামিতে বন্দি করে রেখেছে।

আজ আরও দুঃখজনক যে, বর্তমানে সুদবিহীন ব্যাংক ব্যবস্থা যে অত্যন্ত সাফল্যজনকভাবে চলতে পারে এবং বিশ্বের গরিবদেশ ও দেশের গরিব জনসাধারণকে সুদের অভিশাপ থেকে রক্ষা করে সত্যিকার অর্থে সুখী সমৃদ্ধিশালী করতে পারে সে সম্পর্কেও আমরা অজ্ঞতাবশত সন্দিহান হয়ে পড়েছি। তাই এই সম্পর্কে শিক্ষিত মহল ও জনগণের মাঝে তীব্র চেতনা সৃষ্টি এবং ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার স্বরূপ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের জন্য আজকের এই সেমিনার। আশা করি সেমিনারে আগত জ্ঞানী, মণীষী, প্রবন্ধকার ও আলোচকদের আলোচনার দ্বারা এ সম্পর্কে আমরা পরিষ্কার পথ নির্দেশ লাভ করতে সক্ষম হবো। আল্লাহ পাক আমাদের আজকের সেমিনারকে সাফল্যজনক ও সুষ্ঠুভাবে পরিসমাপ্ত করার তওফিক দান করুন। আমীন।

وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.