আল্লামা শাহ্ আবদুল জব্বার রহ. খেলাফতের মর্যাদা এমনভাবে রক্ষা করে গেছেন যেমন রাসূলে পাক সা. এর খেলাফত তাঁর চার খলিফার মাধ্যমে নিষ্কণ্টকভাবে ২৭ বছরের মধ্যে তিন মহাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিস্তৃতি লাভকরে দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। তেমনিভাবে শ্রদ্ধেয় হুজুর রহ. গত ২৭ বছরে চার খলিফার অনুকরণে দলমত নির্বিশেষে দ্বীন প্রতিষ্ঠা ও আদর্শ বিস্তার করে গেছেন। যেন তিনি ছিলেন খলিফাতুল মুসলেমীন বা আমিরুল মোমেনীন। যেমনিভাবে তিনি ছিলেন রাহবারে শরীয়ত ও তরিক্বত তেমনিভাবে ছিলেন হাকিমুল উম্মত ও মুজাদ্দেদুল মিল্লাত। একদিকে যেমন সিপাহসালায়ে আজম ছিলেন, তেমনিভাবে যুগের বড়পীর, তেমনিভাবে খাজায়ে আজমীর। তাঁর শান ও মান বর্ণনার ভাষা আমাদের নাই।
তিনি কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী তা ভাষায় বলা যাবে না। তা উপলব্ধি করার ব্যাপার মাত্র। যেমন ১৯৭৭ইং সালে আদাবে তরীকৃত বইটি প্রকাশ
হওয়ার পর দেশের বহু বুযুর্গ ব্যক্তি চুনতি শাহ্ সাহেব কেবলা রহ. এর কাছে অভিযোগ করেন যে, বায়তুশ শরফের পীর সাহেব কাফ্ফের বিরুদ্ধে কিতাব লিখেছেন। এমতাবস্থায় চুনতি মাদ্রাসার নাজেমে আলা সাহেবের অসুখের কারণে তাঁকে দেখার জন্য হুজুর কেবলা তথায় তাশরীফ নিলেন। শাহ্ সাহেব কেবলা রহ. শুনে নাজেম সাহেবের কক্ষে চলে আসেন এবং মোলাকাতের পর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বললেন কাশফের বিরুদ্ধে কেন কিতাব লিখেছেন? উত্তরে হুজুর বললেন- আমার হযরত কেবলা শিক্ষা দিয়েছেন, শাহ্ সাহেব কেবলা অত্যন্ত খুশী হয়ে বললেন যে, পড়াইবার জন্য আপনার মত উস্তাদ আমার প্রয়োজন। উত্তরে হুজুর ফরমাইলেন আমার এখনো পড়িবার আগ্রহ। পরে শাহ্ ছাহেব কেবলা রহ. বাড়িতে নিয়ে হুজুরের সাথে কত যে রহস্যময় আলাপ করলেন তা আল্লাহ্ পাক ভালো জানেন।
–মাওলানা মোহাম্মদ আশরফ আলী রহ.
প্রভাষক, চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম।
Leave a Reply