হোটেল আল করিমের সেই ক্ষুদ্র মেসিয়ারের কথা

আমার কর্মজীবনের প্রথম কর্মস্থল ছিল বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ধনিয়ালাপাড়াস্থ হোটেল ক্যাফে আল করিম। যারা ১৯৮০-৮১ সালে চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফে যাতায়াত করেছেন তারা অনেকেই হয়তো এ হোটেলে খাওয়া-দাওয়া করেছেন। এখন আর ক্যাফে আল করিমের কোন অস্তিত্ব সেখানে নেই। হোটেলের স্থানটি দখল করেছে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন। জীবনের বহু চড়াই-উত্রাই অতিক্রম করে আমি আজ প্রতিষ্ঠিত এবং উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। কিন্তু আমার অতীত জীবনের বিষাদভরা স্মৃতির পাতা উল্টালে হোটেল ক্যাফে আল করিমের চাকুরীর কথাই বেশি মনে পড়ে। ১৯৭৯ সালে এস.এস.সি পরীক্ষা পাশ করার পর শত চেষ্টা করেও যখন আমি কলেজে ভর্তি হবার সামান্য কয়টা টাকা যোগাড় করতে পারলাম না তখন মনের দুঃখেই একদিন সকলের অজান্তে গৃহত্যাগ করি। বাঙালির ছেলে ঘর পালানোর স্বভাবশত: সিদ্ধ হলেও আমি ছিলাম ভীষণ ঘরকুনো স্বভাবের। অজপাড়া গাঁয়ের ছেলে মা-বাবাকে ছেড়ে কোনদিন খুব একটা বাইরে যাইনি। কিন্তু সেদিন মনের দুঃখ ও ক্ষোভে মাত্র পনের টাকা সম্বল করে আমি যখন বাড়ি হতে বেরিয়ে পড়ি, তখন কোথায়, কার কাছে কি জন্য যাবো, তার কোনকিছুরই ঠিক-ঠিকানা ছিল না। লাকসাম রেল স্টেশনে বসে বসে জীবনের হাজারো অংক কষে যখন কিছুতেই হিসাব মিলাতে পারছিলাম না তখনই ‘কর্ণফুলী’ ট্রেনটি গোধূলি সন্ধ্যায় স্টেশনে প্রবেশ করলো। চট্টগ্রামে আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় থাকতেন, তারা এখনো চট্টগ্রামেই আছেন। তাদের কাছে পৌছতে পারলে নিশ্চিত একটা কাজের সন্ধান বা আশ্রয় খুঁজে পাবো- এ আশাতেই বুক বেঁধে আমি ট্রেনটিতে চড়ে বসলাম। বলা-বাহুল্য এই যে, সরকারের নিয়ম-নীতি আর বিবেকের শত বাধা সত্ত্বেও

আর্থিক সংকটের কারণে আমি ট্রেনের টিকেট কাটিনি। বিনা টিকেটে যাত্রী হবার অপরাধে ফেনীতে পৌঁছার পর একজন টিটি আমার সে দিনের চলার পাথেয় পনেরটি টাকা নিয়ে গেল। আমি তখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়লাম। দুঃখ ও হতাশায় প্রচণ্ডভাবে ভেঙ্গে পড়লাম। মনের আশা ছিল এ পনেরটি টাকা দিয়ে আমি কষ্ট করে হলেও দু’দিন বাঁচতে পারবো। বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সম্পূর্ণ রিক্ত এবং শূন্য হন্তেই আমি রাত দশটার দিকে বেদনাহত মনে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে পৌছি। আপনজন বলতে যাদের ঠিকানা আমার কাছে ছিল- সবই অফিসিয়াল ঠিকানা। কাজেই এত রাত্রে উদ্দেশ্যহীনভাবে নগরীতে পথ চলতে গেলে অসুবিধা হবে ভেবে আশ্রয়হীনদের আশ্রয়স্থল স্টেশনের প্লাটফরমেই পুলিশের তাড়া আর বখাটেদের উৎপাত মেনে নিয়ে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। অনাহার অনিদ্রা আর অন্ধকারাচ্ছন্ন ভবিষ্যতের হাতছানিতে ক্লান্ত হয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা নিজেও বলতে পারবো না। ঘুম যখন ভাঙলো- তখন আরেকটি নতুন দিনের সূচনা হয়েছে। স্টেশন হতে বেরিয়ে আমার আত্মীয় স্বজনদের খোঁজ-খবর নিয়ে রীতিমতো ভেঙ্গে পড়লাম। যে দু’জন পরিচিত আত্মীয়ের ঠিকানা নিয়ে গেছি- তাদের একজন পতেঙ্গায় অন্যজন কালুর ঘাট। আমি সম্পূর্ণ সহায় সম্বলহীন। এমতাবস্থায় কালুর ঘাট বা পতেঙ্গা যাওয়াতো দূরের কথা জঠরের জ্বালায় দু’কদম হাঁটাও আমার জন্যে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল। মাথায় একটা নতুন বুদ্ধি এলো। স্টেশনে কুলিরা কাজ করে। তাদের সাথে কাজ করে যদি কিছু রোজগার করতে পারি তা হলে হয়তো আসন্ন বিপদ হতে রক্ষা পাবো। কিন্তু রেল স্টেশনে কুলি বা মুটের কাজ করতে হলেও যে সর্দারজীর সদয় অনুমতি গ্রহণ করতে হয় তা আমার জানা ছিল না। তাই নতুন পেশায় আত্মনিয়োগ করতে গিয়ে প্রচণ্ড গলা ধাক্কা খেলাম। শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম দোকানে দোকানে ঘুরে যদি কোন কাজ পাই তাহলে সে কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করবো। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ। আমার ক্লান্ত অবসন্ন, অনাহারক্লিষ্ট দেহটি নিয়েই কাজের সন্ধান শুরু করলাম। কিন্তু অপরিচিত ও অভিভাবকহীন বিধায় কেউ আমাকে কাজ দিতে রাজী হলেন না। দ্বিপ্রহরের সময় একজন দোকানী আমার অবর্ণনীয় করুণ কাহিনী শুনে বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব হুজুরের দরবারে, যাবার পরামর্শ দিলেন।

শৈশব হতে দ্বীন-ধর্মের প্রতি আমার একটা অনুরাগ থাকলেও পীরদের প্রতি আমি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ ছিলাম। আমাদের পারিবারিক দৈন্যতার জন্য মা’রেফত (!) পন্থী এক পীর বহুলাংশেই দায়ী ছিলেন। আমার দাদা উক্ত পীরের কাছে মা’রেফতের তালিম নিয়ে ঢোল বাজাতেন, জ্যা করতেন, ছেমা-কাওয়ালী শুনে দিন কাটাতেন। প্রতি বছর ওরশের সময় জমি বিক্রি করে দয়াল বাবার (1) দরবারে হাজিরা দিতেন। সাধনার পথে সিদ্ধি লাভ করতে গিয়ে তিনি আমাদের ষোল একর জমি বিক্রি করেছেন। দীর্ঘদিন যাবত জমিদারের খাজনা দেননি। তাই খাজনার দায়ে আমাদের বহু জায়গা-জমিন নিলাম করে মানুষে নিয়ে যায়। আমাদের নিঃস্ব হবার এ সকল করুণ কাহিনী বাবা বহুদিন কেঁদে কেঁদে আমাদেরকে শুনিয়েছেন। তাই একজন পীর সাহেবের কাছে যাবার জন্য দোকানীর পরামর্শ শুনে আমি কিছুটা বিরক্তই হলাম। ভাবলাম লোকটি সম্ভবতঃ আমার সাথে ইয়ার্কি করছেন। পীর সাহেবরা তো হাদিয়া গ্রহণ করেন, কাউকে কোনদিন হাদিয়া দিতে দেখিনি; তাঁর কাছে গিয়ে আমার কি লাভ হবে। আবার ভাবলাম কবি তো বলেছেন, ‘যেখানে দেখিবে চাই- উড়াইয়া দেখ তাই/পাইলেও পাইতে পার মানিক রতন।’ তাই একান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও দোকানী ভদ্রলোকের পরামর্শক্রমে বাঁচার তাগিদে বায়তুশ শরফের পবিত্র অঙ্গনে জীবনে সর্বপ্রথম প্রবেশ করলাম। আশা-নিরাশার দোলায় সেখানে ইতঃস্তত ঘোরাঘুরি করতে থাকলাম। মুরব্বী প্রকৃতির একজনের কাছে হুজুরের সন্ধান জিজ্ঞেস করতেই তিনি অনুসন্ধানের কারণ জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে আমার করুণ কাহিনী শুনালাম। তিনি জানালেন যে, হুজুর আসরের নামাযের সময় মসজিদে আসবেন। নামায শেষে তিনি দক্ষিণের বারান্দায় আসবেন। তখন যেন আমি তার সাথে দেখা করি। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর আসরের আযান হলো। চতুর্দিক হতে মুসল্লিগণ মসজিদে এসে জড়ো হতে লাগলেন। আমিও অজু করে মসজিদে প্রবেশ করলাম। নামায শেষে দেখলাম অত্যন্ত সাদাসিধে পোষাকে একজন শান্ত-সৌম্য-ক্লান্তিময় ব্যক্তি মসজিদের বারান্দায় একটি চেয়ারে বসে আগত ভক্ত-মুরীদদের সাক্ষাত দিচ্ছেন। দু’চারটি হেদায়েতী উপদেশ দান করে তিনি মুনাজাত করলেন। তারপর গভীর মনোযোগ সহকারে ভক্তজনদের কথা শুনছেন। আমি বিমুগ্ধ চিত্তে দূরে দাঁড়িয়ে এ অপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করতে লাগলাম কিন্তু কিছুতেই সাহস করে তাঁর সামনে গিয়ে নিজের কথা বলতে পারছিলাম না। তিনি ইতিমধ্যেই বেশ পর্যবেক্ষণশীল তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কয়েকবার আমার দিকে তাকালেন। শেষে মসজিদ হতে বের হবার পূর্ব মুহূর্তেই আমার দিকে তাকিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুই কি চর’ অর্থাৎ তুমি কি চাও?

পূর্বেই বলেছি- আমি দরিদ্র অথচ খান্দানী পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেছি দাদার মা’রেফত সাধনার কারণে আমরা ফতুর হলেও জীবনে কোনদিন কারে কাছে হাত পেতে কিছু চাইনি। আজও পারিবারিক আভিজাত্যের কারণে লজ্জা হুজুরের কাছে সরাসরি সাহায্য চাইতে পারলাম না। তাই হুজুরের প্রশ্নে জবাবে আম্মা-আম্মা করে বললাম, ‘হুজুর আপনার একটু দোয়া চাই আমার মুখাবয়বের দিকে তাকিয়ে তিনি পুনরায় বললেন, ‘দোয়াতো করেি এখন কি চাও। তাঁর প্রশ্নে আমি কিছুটা আশ্বস্ত হলাম। মনের মাঝে কিছু সাহস সঞ্চার করে তাঁর কাছে অকপটেই নিজের জীবনের বিষাদভরা ক কাহিনী বর্ণনা করতে লাগলাম। পিনপতন নীরবতার মধ্যেই গভীর মনোে সহকারে তিনি প্রায় পাঁচমিনিট আমার বক্তব্য শুনলেন। তারপর বেদন একটি চাপা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘এখন আমি তোমার জন্য কি করতে পারি?’ আমি সাথে সাথেই নিঃসঙ্কোচে বললাম, ‘হুজুর আপাতত আমি যদি একটা কাজ পাই- তাহলেই বাঁচতে পারি।’ তিনি আমার কথায় মনে হলো কিছুটা বিরক্তই হলেন। তারপর দরবারের একজনকে উদ্দেশ্য করে বললেন তাঁকে হাজীর দোকানে কাজে লাগিয়ে দাও।’ তাঁর নির্দেশ মতো আমাকে তৎক্ষণাৎ ক্যাফে আল করিমে কাজে লাগিয়ে দেয়া হলো। হোটেলের মেসিয়ার হিসেবে শুরু হলো আমার কর্মজীবনের সূচনা।

প্রবাসে কোন আশ্রয়হীন আশ্রয় পেলে, অন্নহীনের অন্নের সংস্থান হলে, অভাব-অনটন ও অনাহারক্লিষ্ট কোন বেকারের কর্মসংস্থান জুটলে যে কী আনন্দ ও স্বস্থি অনুভূত হয়- তা আমি ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। যারা ভূক্তভোগী তারাই হয়তো এ আনন্দ উপভোগ করেন। হুজুরের বদান্যতায় আমার একই সাথে আশ্রয়, অন্ন ও কর্মের সংস্থান হওয়ায় আমি যেন আসন্ন মৃত্যুর হাত হতে রক্ষা পেলাম। মনে মনে পরম করুণাময়ের দরবারে লাখো শোকরিয়া আদায় করতে লাগলাম। হোটেলের কাজের ফাঁকে আমি প্রায়শই মসজিদে গিয়ে নামায পড়তাম। সুযোগ পেলে যাকেরীনদের সাথে যিক্রের মাহফিলে বসে যিক্র করতাম। দরবারের লোকজন প্রায়শই ক্যাফে আল করিমে চা-নাস্তা খেতে আসতেন। ফলে দু’একজনের সাথে কিছুটা সখ্যতাও গড়ে উঠলো। এমনিভাবে প্রায় দু’মাস অতিবাহিত হবার পর একদিন আমাকে সওদাগর সাহেব হুজুরের সাথে দেখা করতে বললেন। আমি তাঁর কথা মতো আসরের নামাযের পর হুজুরের সাথে দেখা করতে যাই। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহের সুরে কাছে ডেকে নিয়ে জানতে চাইলেন যে, আমি কি আরও লেখা-পড়া করতে ইচ্ছুক, না চাকুরী করতে ইচ্ছুক। হুজুরের কথা শুনে আমার অন্তরের পূঞ্জীভূত বেদনা ছাই চাপা আগুনের মতো দপ্ করে জ্বলে উঠলো। আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লাম। কাঁদতে কাঁদতেই তাঁকে জানালাম যে, হুজুর আমি হোটেলে কাজ করে দুইশত টাকার মত যোগাড় করেছি। আর কিছু টাকা যোগাড় হলেই আমি দেশে গিয়ে কলেজে ভর্তি হবো। আমার কান্না দেখে তিনি বেশ বিচলিত হয়ে পড়লেন। তারপর আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, ‘বাবা জগতে যাঁরা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন-সবাই দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করেছেন। তোমার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা থাকলে আল্লাহ্ অবশ্যই তোমাকে সফলতা দান করবেন। মান-অভিমান করে জীবন নষ্ট করো না। তুমি আগামীকালই দেশে গিয়ে পুনরায় লেখাপড়া শুরু কর।’ এ বলেই তিনি আমার হাতে কিছু টাকা তুলে দিলেন। পরে গুণে দেখেছি সেখানে তিনশত টাকা ছিল।

হুজুরের আর্থিক সাহায্য পেয়ে আমি পরদিনই চট্টগ্রাম হতে কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতে চলে আসি এবং কলেজে ভর্তি হয়ে রীতিমত লেখাপড়া শুরু করি। আল্লাহ্র অপরিসীম রহমত ও হুজুরের নেক দোয়ার বরকতে পরবর্তীতে আমার লেখাপড়ার জন্য আমি কখনও আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হইনি। বরং টিউশনি করে, অবসরে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কর্তব্য পালন করে যে অর্থ পেয়েছি তা দিয়ে আমার অভাবী- পিতা-মাতাকেও সাহায্য করেছি। নিজেও স্বাচ্ছন্দ্যে লেখাপড়া করেছি।

স্মৃতির রোমন্থন বড়ই বেদনাদায়ক। বিষাদভরা অতীত জীবনের বহু স্মৃতিই আজ বিস্মৃতির অতলান্তে তলিয়ে গেছে। কর্মজীবনের ব্যস্ততায় আজ বিষণ্ণ অতীতকে আমি নিজেও ভুলে যেতে চাই। পীরে বায়তুশ শরফের স্মৃতিও ব্যবসায়ী, বিদ্যানুরাগী ও আমার অগ্রজ প্রতীম দানবীর জনাব হাজী মুহাম্মদ হয়তো ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু ১৯৯৬ সালের ২০ রমযান চট্টগ্রামের বিশিষ্ট নূরুল আবছার সাহেবের উৎসাহে আমি হুজুরের সাথে পুনরায় দেখা করতে গিয়েছিলাম। আসরের নামাযের পর তাঁর সামনে বসতেই তিনি যে নছীহত শুরু করলেন মনে হলো তা আমাকে উদ্দেশ্য করেই বলছেন। সেদিন আমি তাঁর হাতে বায়াত হলাম। তাঁকে সামান্য কিছু হাদিয়া দিতেই তিনি স্মিত হাস্যে বললেন, ‘শুধু হাদিয়া দিলেই চলবে না, এখন আমার হুকুমও মানতে হবে। বিদ্যান হয়েছ, একজন কর্মকর্তা হিসেবে সম্মানিত হয়েছ। আমি এখন চাই-দ্বীনদার মুসলমান হও।’ কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার আমি তাঁর হুকুম পালনের আগেই তিনি ইহজগৎ ত্যাগ করেছেন।


কবি শিবলী মজুমদার (মেজর হানিফ মজুমদার)

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *