তাঁর কাজ ছিল জাতিকে আধ্যাত্মিকভাবে সমুন্নত করা

আজ যে মহান মনীষীকে আমরা স্মরণ করছি। যুগ-সংস্কারকদের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো খুঁজতে গেলে আমরা দেখি, প্রায় সবাই ছিলেন শিক্ষক। হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল জব্বার ছিলেন সারা জীবন শিক্ষকতার পেশায়। কারণ দুনিয়াকে পরিবর্তন করতে হলে সমাজের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সদস্যদেরকে তৈরী করে দিতে হবে। এদিক দিয়ে ছিলেন এ পরিকল্পনার মহান কর্মবীর।

একজন সংস্কারকের জন্য স্থান এবং কাল গুরুত্বপূর্ণ। স্থান এবং কালের ব্যবধানে সংস্কারকের কাজ বিভিন্ন হয়ে থাকে। পশ্চিমা সাংস্কৃতিক বেড়াজালে পরিপূর্ণ আমাদের বর্তমান কালের আবর্তে তাঁদের সমাজ সংস্কারমূলক কাজগুলো আমরা কিভাবে মূল্যায়ন করবো। এদিক থেকে তাঁদের মহান সংস্কারমূলক অবদানগুলোকে আন্দোলনের প্রারম্ভিক পরিকল্পনা বলা যায়। তাঁর কাজ ছিল জাতিকে আধ্যাত্মিকভাবে সমুন্নত করে তোলা; যা জড়বাদী সভ্যতা সশিক্ষত করে তোলা যা মানুষকে মিথ্যার মোহ সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়। এ আস্তে আস্তে মানুষের মধ্য থেকে খুইয়ে নিচ্ছে। সামাজিকভাবে জাতিকে ক্ষেত্রে একটা বিষয় উল্লেখ্য, তিনি ছিলেন স্থবির প্রাতিষ্ঠানিকতার বিপরীতে অপ্রাতিষ্ঠানিক চলমান আন্দোলনে নিবেদিত।

জড়বাদী শিক্ষা ব্যবস্থার বিপরীতে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে এই মনীষীর নিঃস্বার্থ আন্তরিকতা ছিল অনবদ্য। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম যে পথ পাড়ি দেয়ার কথা ভেবেছে তার মঞ্জিল অনেক দূর। সময়ের দীর্ঘ পরিক্রমায় এ যাত্রা শুরু হয়েছে। আর, শুরুতে এ মনীষীর আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের প্রেরণা দেবে প্রকৃত মঞ্জিলে পৌঁছুতে। আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন। আমীন।


মুহাম্মদ বদিউল আলম

প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ট্রাস্ট।


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *