হযরত আবদুল জব্বার রহ. এর প্রত্যেক কাজে ছিল ধীরস্থিরতা ও একাগ্রতা। প্রত্যেক কাজ তিনি ধীরস্থিরভাবে ও একাগ্রতার সাথে সম্পন্ন করার চেষ্টা করতেন। কখনো কোন কাজের মধ্যে অস্থিরতা ও ব্যাকুলতা দেখাতেন না। এটাও তাঁর বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতার একটি লক্ষণ। এ গুণটি মুমিন-জিন্দেগীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যেমন- মহানবী সা. এরশাদ করেন- “আত তা’ন্নী মিনার রাহমান ওয়াল উজলাতু মিনাশ শাইত্বান” তাঁর জীবন থেকে এ অনুপম গুণটি অনুসরণ করেও আমরা সার্থক জীবন গঠন করতে পারি।
তাঁর চরিত্রের আরেক উল্লেখযোগ্য দিক হলো- বন্ধু-বাৎসল্য। তিনি তাঁর দূরের কাছের প্রত্যেক ব্যক্তির সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতেন। ছোট-বড় যারাই তাঁর একান্ত সান্নিধ্যে এসেছে তারা কখনো তাঁর কাছ থেকে দুর্ব্যবহারের শিকার হয়ে তাঁকে পরিত্যাগ করেননি বরং তাঁর কোমল ও আপনজন সুলভআচরণের জন্য তাঁকে আঁকড়ে ধরেছেন। তিনি আধ্যাত্মিক সাধনা করেছেন মানুষকে সৎপথ দেখাবার জন্য। মানুষের উপকার সাধন করার জন্য। তাই তিনি সর্বদা মানুষের নিকটে অতি নিকটে অবস্থান করেছেন সর্বাবস্থায়। এমন একজন বন্ধু-বাৎসল মানুষ লাভ করা মানুষের জন্য সত্যিই কঠিন। তাঁর এ চরিত্রটি মহানবী সা. এর এ হাদিসের প্রতিচ্ছবি। যেমন- মানবতার নবী সা. হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল রহ.কে উপদেশ দিতে গিয়ে একদা এরশাদ করেন-ইয়া মুয়ায! আহসিন খালক্বেকা লিন্নাস “হে মুয়ায! তুমি মানুষের কল্যাণার্থে তোমার চরিত্রকে সুন্দর ও উত্তম কর।
মাওলানা মোহাম্মদ আবু তাহের
সহকারী অধ্যাপক (অব:), বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসা।
Leave a Reply