ওলীরা সাধারণ মানুষ নন। তাঁদের জ্ঞান-সাধনা সীমাবদ্ধ নয়। এমন কিছু জ্ঞান তাঁরা অর্জন করেন যার মাধ্যমে ওলীরা সাধারণ মানুষের ঊর্ধ্বে উঠে যান। আল্লামা শাহ্ আবদুল জব্বার রহ. ছিলেন এমনি এক ওলীয়ে কামেল। হুজুর
কেবলার কর্মকাণ্ড ছিল বিস্ময়কর। বাংলার কবির ভাষায় ‘বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়।’ তিনি সারা জীবন মানুষের সেবা করে মানুষের মাঝে বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি নামায- দোয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে মানুষের সেবা করে গেছেন। আল্লামা শাহ্ আবদুল জব্বার রহ. ইসলামের মূল শিক্ষার আলোকে মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। সে জন্য তিনি ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষা অর্জনের বিশ্বাসী ছিলেন। সেই হিসেবে তিনি নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইসলামে যেমন কোন সংকীর্ণতার স্থান নেই, তেমনি তাঁর কাছে কোন সংকীর্ণতার স্থান ছিল না। তাঁর প্রমাণ ঘটেছে আল্লামা শাহ্ আবদুল জব্বার রহ. এর বিশাল নামাযে জানাযায়। সেখানে দল-মত নির্বিশেষে সকলে তাঁর জানাযায় শরীক হয়েছেন।
অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ
সম্পাদক দৈনিক আজাদী, চট্টগ্রাম।
Leave a Reply